তামিম আহমেদ
তামিম আহমেদ
17 Mar 2024 (1 month ago)
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রকৃতি ও প্রত্যয় | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)


Listen to this article

প্রকৃতি:

শব্দ বা ধাতুর মূলই হচ্ছে প্রকৃতি। অর্থাৎ ‘মৌলিক শব্দের যে অংশকে আর কোনোভাবেই বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়, তাকে বলা হয় প্রকৃতি।‘ অথবা, ভাষায় যার বিশ্লেষণ সম্ভব নয়, এমন মৌলিক শব্দকে প্রকৃতি বলে। শব্দ কিংবা পদ থেকে প্রত্যয় ও বিভক্তি অপসারণ করলে প্রকৃতি অংশ পাওয়া যায়।

প্রকৃতি দুই প্রকার। যথা:

  • (ক) ক্রিয়া-প্রকৃতি বা ধাতু,
  • (খ) নাম-প্রকৃতি বা সংজ্ঞা-প্রকৃতি।

(ক) ক্রিয়া-প্রকৃতি: প্রত্যয়-নিষ্পন্ন শব্দের বিশ্লেষণে মৌলিক ভাব-দ্যোতক যে অংশ পাওয়া যায়, তা যদি অবস্থান, গতি বা অন্য কোনো প্রকারের ক্রিয়া বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-প্রকৃতি বলে।

যেমন: চিল্, √পড়, রাখ, দৃিশ, কৃ প্রভৃতি ক্রিয়া-প্রকৃতি।

  • [চলন্ত = √চল্ (ক্রিয়া-প্রকৃতি) + অন্ত (প্রত্যয়)]

(খ) নাম-প্রকৃতি: প্রত্যয়-নিষ্পন্ন শব্দের বিশ্লেষণে মৌলিক ভাব-দ্যোতক যে অংশ পাওয়া যায়, তা যদি কোনো দ্রব্য, জাতি, গুণ বা কোনো পদার্থকে বোঝায়, তাকে নাম-প্রকৃতি বলে। যেমন: মা, চাঁদ, গাছ, প্রভৃতি নাম-প্রকৃতি।

  • হাতল- হাত (নাম-প্রকৃতি) + অল (প্রত্যয়)

প্রাতিপদিক: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। যেমন: হাত, বই, কলম, মাছ ইত্যাদি।

যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।

ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে, “ধাতু বা শব্দের উত্তর ভিন্ন ভিন্ন অর্থে যে বর্ণ বা বর্ণসমূহ যুক্ত হইয়া শব্দ প্রস্তুত হয়, তাহাদিগকে প্রত্যয় বলে।“যেমন:

  • হাত + আ = হাতা; মনু + অ = মানব; চিল্ + অন্ত চলন্ত; √কৃ+ অক = কারক।

এখানে, ‘আ’, ‘অ’, ‘অন্ত’, এবং ‘অক’-এগুলো প্রত্যয়। ‘হাত’, ‘মনু’ নাম-প্রকৃতি এবং চল্’, ‘কৃ’ ক্রিয়া প্রকৃতি।

প্রত্যয়:

যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।

ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে, “ধাতু বা শব্দের উত্তর ভিন্ন ভিন্ন অর্থে যে বর্ণ বা বর্ণসমূহ যুক্ত হইয়া শব্দ প্রস্তুত হয়, তাহাদিগকে প্রত্যয় বলে।“যেমন:

  • হাত + আ = হাতা; মনু + অ = মানব; চিল্ + অন্ত চলন্ত; √কৃ+ অক = কারক।

এখানে, ‘আ’, ‘অ’, ‘অন্ত’, এবং ‘অক’-এগুলো প্রত্যয়। ‘হাত’, ‘মনু’ নাম-প্রকৃতি এবং চল্’, ‘কৃ’ ক্রিয়া প্রকৃতি।

প্রত্যয়ের শ্রেণিবিভাগ:

প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। যথা:

  • ১. কৃৎ প্রত্যয় ও
  • ২. তদ্ধিত প্রত্যয়।

কৃৎ প্রত্যয়: ধাতুর পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।

যেমন:

  • √ধর্ + আ = ধরা।
  • √ডুব্‌ + উরী = ডুবুরী।
  • √দৃশ্ + য = দৃশ্য ইত্যাদি।

তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন:

  • বাঘ + আ = বাঘা।
  • সোনা + আলি = সোনালি।

সপ্তাহ + ইক = সাপ্তাহিক ইত্যাদি।

কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়ের শ্রেণিবিভাগ:

কৃৎ প্রত্যয় দুই প্রকার। যথা:

  • ক. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় ও
  • খ. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।

তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার। যথা:

  • ক. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়;
  • খ. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় ও
  • গ. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়।

ক. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়: সংস্কৃত নিয়মানুযায়ী ঐ ভাষার ধাতুর সঙ্গে যেসব সংস্কৃত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন: √কৃ+তব্য কর্তব্য; দৃশ্ + অন = দর্শন ইত্যাদি।

খ. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়: সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বিবর্জিত বাংলা ধাতুর সঙ্গে প্রাকৃত ভাষা থেকে আগত যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন: নাচ্ + অন = নাচন; ডুব্‌ + অন্ত = ডুবন্ত ইত্যাদি।

তদ্ধিত প্রত্যয়

ক. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়: যে তদ্ধিত প্রত্যয় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন: মনু + ষ্ণ = মানব; লোক + ষ্ণিক = লৌকিক ইত্যাদি।

খ. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ব্যতীত বাকি প্রত্যয়গুলোকে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন: বাঘ + আ = বাঘা; ঘর + আমি = ঘরামি ইত্যাদি ।

গ. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়: শব্দের শেষে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন: ডাক্তার + খানা = ডাক্তারখানা, ধড়ি বাজ = ধড়িবাজ ইত্যাদি।

ক. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন

১. অ (অচ্)

  • √পঠ + অ = পাঠ।
  • √জি + অ = জয়।

২. অনীয় (অনীয়র)

  • √কৃ + অনীয় = করণীয়।
  • √পা + অনীয় = পানীয়।
  • √স্মৃ + অনীয় = স্মরণীয়।
  • √দৃশ্ + অনীয় = দর্শনীয়।

৩. তি (ভি)

  • √কৃ + তি = কৃতি।
  • √কৃত্ + তি = কীর্তি।
  • √কৃষ + তি = কৃষ্টি।
  • √দৃশ্ + তি = দৃষ্টি।

৪. অনট (অন)

  • √নী+অনট > নে+অন* = নয়ন
  • √শ্রু+অনট = শ্রবণ*
  • √স্থা+অনট = স্থান

৫. ক্ত (ত)

  • √জ্ঞা+ক্ত = জ্ঞাত
  • √খ্যা+ক্ত = খ্যাত
  • √পঠ+ক্ত = পঠিত
  • √লিখ+ক্ত = লিখিত

৬. ক্তি (তি)

  • √শ্রম+ক্তি = শ্রান্তি
  • √শম+ক্তি = শান্তি
  • √বচ+ক্তি = উক্তি
  • √মুচ+ক্তি = মুক্তি

৭. ঘ্যণ (য-ফলা)

  • √কৃ+ঘ্যণ = কার্য্য > কার্য
  • √ধূ+ঘ্যণ = ধার্য
  • √বাচ+ঘ্যণ = বাচ্য
  • √ভোজ+ঘ্যণ = ভোজ্য

৮. ণিন(ইন>ঈ-কার)

  • √গ্রহ+ণিন = গ্রাহী
  • √পা+ণিন = পায়ী
  • √কৃ+ণিন = কারী

৯. অল (অ)

  • √জি+অল = জয়
  • √ক্ষি+অল = ক্ষয়
  • √নিচ+অল = নিচয়

১০. বর

  • √ঈশ+বর = ঈশ্বর
  • √ভাস+বর = ভাস্বর
  • √নিশু+বর = নশ্বর

১১. শানচ (আন/মান)

  • √দীপ+শানচ = দীপ্যমান
  • √চল+শানচ = চলমান
  • √বৃধ+শানচ = বর্ধমান

১২. ঘঞ (অ)

  • √বস+ঘঞ = বাস
  • √যুজ+ঘঞ = যোগ
  • √ক্রুধ-ঘঞ = ক্রোধ

খ. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন

  • ১. অ (ষ্ণ, অণ) মনু + অ = মানব। দনু + অ = দানব। মধু + অ = মাধব।
  • ২. আয়ন (ষ্ণায়ন, ফক্) নর আয়ন নারায়ণ। দ্বীপ আয়ন দ্বৈপায়ন। রাম আয়ন = রামায়ণ।
  • ৩. ইক (ষ্ণিক, ঠক্) অক্ষর ইক = আক্ষরিক। ইতিহাস ইক= ঐতিহাসিক। বর্ষ ইক বার্ষিক।
  • ৪. ঈ (ইন, ইনী)সুখ+ঈ= সুখী। হস্ত+ঈ= হস্তী। ধন + ঈ = ধনী।
  • ৫. ঈয় (ষ্ণীয়, ছ) জল + ঈয় = জলীয়। আত্মন্ + ঈয় আত্মীয়। মানব ঈয় মানবীয়। রাষ্ট্র ঈয় রাষ্ট্রীয়।
  • ৬. ত্ব- মাতৃ + ত্ব মাতৃত্ব। মনুষ্যত্ব মনুষ্যত্ব। ভ্রাতৃত্ব ভ্রাতৃত্ব।
  • ৭. বান (বতুপ) রূপ বান রূপবান। ধন বান ধনবান। জ্ঞান+ বান = জ্ঞানবান।
  • ৮. মান্ (মৎ, মতুপ) বুদ্ধিমান্ বুদ্ধিমান।

প্রত্যয় কি?

শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন পঠ + অক= পাঠক; দিন + ইক= দৈনিক; দুল্ + অনা=দোলনা; কৃ + তব্য=কর্তব্য।

তদ্ধিত প্রত্যয়

  • শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
  • তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
  • উপরের উদাহরণে, ‘অক’ ও ‘ইক’ তদ্ধিত প্রত্যয় এবং ‘শিক্ষক’ ও ‘দৈনিক’ হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।

কৃৎপ্রত্যয়

  • অন্যদিকে ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
  • কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
  • উপরের উদাহরণে, ‘অনা’ ও ‘তব্য’ হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং ‘দোলনা’ ও ‘কর্তব্য’ হলো কৃদন্ত শব্দ।
  • প্রত্যয়ের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই।
  • তবে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরে অনেক সময়ে শব্দের অর্থ ও শ্রেণিপরিচয় বদলে যায়।

নিচে প্রত্যয় দিয়ে গঠিত শব্দের উদাহরণ দেওয়া হলো:

প্রত্যয়শব্দ গঠনসাধিত শব্দপ্রত্যয়ের ধরণ
-অশিশু+অশৈশবতদ্ধিত
-অজি+অজয়কৃৎ
-অকপ+অকপাঠককৃৎ
-অকনিন্দ্+অকনিন্দককৃৎ
-অটদাপ+অটদাপটতদ্ধিত
-অটকপ্+অটকপটকৃৎ
-অনাদুল্+অনাদোলনাকৃৎ
-অনাখেল্+অনাখেলনাকৃৎ
-অনীয়মান্+অনীয়মাননীয়কৃৎ
-অনীয়দৃশ্+অনীয়দর্শনীয়কৃৎ
-অন্তউ+অন্তউড়ন্তকৃৎ
-অন্তমহ্+অন্তমহন্তকৃৎ
-অমকর্+অমকর্দমকৃৎ
-অমচর্+অমচরমকৃৎ
-আবাঘ+আবাঘাতদ্ধিত
-আপড়্+আপড়াকৃৎ
-আইঢাকা+আইঢাকাইতদ্ধিত
-আইসিল্+আইসেলাইকৃৎ
-আওঘির্+আওঘেরাওকৃৎ
-আওপাকড়্+আওপাকড়াওকৃৎ
-আনগাড়ি+আনগাড়োয়ানতদ্ধিত
-আনশী+আনশয়ানকৃৎ
-আনাবিবি+আনাবিবিয়ানাতদ্ধিত
-আনামুনশি+আনামুনশিয়ানাতদ্ধিত
-আনিবাবু+আনিবাবুয়ানিতদ্ধিত
-আনিশুন্‌+আনিশুনানিকৃৎ
-আনোবেত+আনোবেতানোতদ্ধিত
-আনোচাল্+আনোচালানোকৃৎ
-আমিপাগল+আমিপাগলামিতদ্ধিত
-আমিছেলে+আমিছেলেমিতদ্ধিত
-আরিভিখ+আরিভিখারিতদ্ধিত
-আরিধুন+আরিধুনারিতদ্ধিত
-আরুবোমা+আরুবোমারুতদ্ধিত
-আরুখোঁজ্+আরুখোঁজারুকৃৎ
-আলঘাট্+আলঘাটালতদ্ধিত
-আলমাত্+আলমাতালকৃৎ
-আলোজমক+আলোজমকালোতদ্ধিত
-আলোরস+আলোরসালোতদ্ধিত
-ইচাষ+ইচাষিতদ্ধিত
-ইভাজ্+ইভাজিকৃৎ
-ইকদিন+ইকদৈনিকতদ্ধিত
-ইকচরিত্র+ইকচারিত্রিকতদ্ধিত
-ইতকণ্টক+ইতকণ্টকিততদ্ধিত
-ইতপঠ+ইতপঠিতকৃৎ
-ইমানীল+ইমানীলিমাতদ্ধিত
-ইমাগুরু+ইমাগরিমাতদ্ধিত
-ইয়াজাল+ইয়াজালিয়া>জেলেতদ্ধিত
-ইয়াগা+ইয়াগাইয়া>গাইয়েকৃৎ
-ইলপঙ্ক+ইলপঙ্কিলতদ্ধিত
-ইলসল্+ইলসলিলকৃৎ
-ইষ্ণুচল্+ইষ্ণুচলিষ্ণুকৃৎ
-ইষ্ণুসহ্+ইষ্ণুসহিষ্ণুকৃৎ
-ঈ (প্রাণ+ঈপ্রাণীতদ্ধিত
-ঈ (ইস্থা+ঈস্থায়ীকৃৎ
-ঈনর+ঈনারীতদ্ধিত
-ঈছাত্র+ঈছাত্রীতদ্ধিত
-ঈনগ্রাম+ঈনগ্রামীণতদ্ধিত
-ঈনসর্বজন+ঈনসর্বজনীনতদ্ধিত
-ঈয়রাষ্ট্র+ঈয়রাষ্ট্রীয়তদ্ধিত
-ঈয়মিশর+ঈয়মিশরীয়তদ্ধিত
-উঢাল+উঢালুতদ্ধিত
-উঝাড়্+উঝাড়ুকৃৎ
-উকপেট+উকপেটুকতদ্ধিত
-উকমিশ্+উকমিশুককৃৎ
-উড়গর+উড়গরুড়তদ্ধিত
-উড়লেজ+উড়লেজুড়তদ্ধিত
-উয়ামাছ+উয়ামাছুয়াতদ্ধিত
-উয়াপড়ু+উয়াপড়ুয়াকৃৎ
-ওয়াঘর+ওয়াঘরোয়াতদ্ধিত
-ওয়ালাগ্‌+ওয়ালাগোয়াকৃৎ
-ওয়ালাবাড়ি+ওয়ালাবাড়িওয়ালাতদ্ধিত
-ওয়ালারিকশা+ওয়ালারিকশাওয়ালাতদ্ধিত
-কফলা+কফলকতদ্ধিত
-কচড়্+কচড়ককৃৎ
-করবাজি+করবাজিকরতদ্ধিত
-করকারি+করকারিকরতদ্ধিত
-খানাছাপা+খানাছাপাখানাতদ্ধিত
-খানাডাক্তার+খানাডাক্তারখানাতদ্ধিত
-ড়াগাছ+ড়াগাছড়াতদ্ধিত
-ড়াচাম+ড়াচামড়াতদ্ধিত
-তমুচ্+তমুক্তকৃৎ
-তজ্ঞা+তজ্ঞাতকৃৎ
-তব্যকৃ+তব্যকর্তব্যকৃৎ
-তব্যদা+তব্যদাতব্যকৃৎ
-তমআশি+তমআশিতমতদ্ধিত
-তমদীর্ঘতমদীর্ঘতমতদ্ধিত
-তরএমন+তরএমনতরতদ্ধিত
-তরঅশ্ব+তরঅশ্বতরতদ্ধিত
-তাশত্রু+তাশত্রুতাতদ্ধিত
-তাবহ্+তাবহতাকৃৎ
-তিচাক+তিচাকতিতদ্ধিত
-তিকাট্+তিকাটতিকৃৎ
-ত্বকবি+ত্বকবিত্বতদ্ধিত
-ত্বসতী+ত্বসতীত্বতদ্ধিত
-ত্রছদ্+ত্রছত্রকৃৎ
-ত্রনী+ত্রনত্রকৃৎ
-থচতুর্+থচতুর্থতদ্ধিত
-থকাশ+থকষ্ঠকৃৎ
-দারঅংশী+দারঅংশীদারতদ্ধিত
-দারচুড়ি-দারচুড়িদারতদ্ধিত
-ননাতি+ননাতিনতদ্ধিত
-বাজধান্দা+বাজধান্দাবাজতদ্ধিত
-বাজধোঁকা+বাজধোঁকাবাজতদ্ধিত
-বানদয়া+বানদয়াবানতদ্ধিত
-বানজ্ঞান+বানজ্ঞানবানতদ্ধিত
-মানবুদ্ধি+মানবুদ্ধিমানতদ্ধিত
-মানবৃধ+মানবর্ধমানকৃৎ
-সসুন্দর+যসৌনদর্যতদ্ধিত
-যকৃ+যকার্যকৃৎ
-রমধু+রমধুরতদ্ধিত
-রনম্+রনম্রকৃৎ
-লদীঘ+লদীঘলতদ্ধিত
-লঅম্+লঅমলকৃৎ
-লামেঘ+লামেঘলাতদ্ধিত
-লাহাম্+লাহামলাকৃৎ
-সইমানান+সইমানানসইতদ্ধিত
-সইচলন+সইচলনসইতদ্ধিত
-সেপানি+সেপানসেতদ্ধিত
-সেফিকা+সেফ্যাকাসেতদ্ধিত

প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের অর্থ অনেক সময়ে বদলে যায়, যেমন

  • অবজ্ঞা অর্থে: চোর চোরা;
  • বৃহৎ অর্থে: ডিঙি ডিঙা;
  • সদৃশ অর্থে: বাঘ বাঘা;
  • আগত অর্থে: দখিন দখিনা;
  • আদর অর্থে: কানু কানাই;
  • ভাব অর্থে: বাহাদুর বাহাদুরি,
  • জাত অর্থে: ঢাকা ঢাকাই;
  • ভাব অর্থে: ইতর ইতরামি;
  • নিন্দা অর্থে: জেঠা- জেঠামি,
  • মালিক অর্থে: জমিদার জমিদারি,
  • পেশা অর্থে: ডাক্তার ডাক্তারি,

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন (√) দাও।

১. ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয় তাদের কী বলে?

  • ক. কৃৎ প্রত্যয়
  • খ. তদ্ধিত প্রত্যয়
  • গ. কৃদন্ত পদ
  • ঘ. তদ্ধিতান্ত পদ

> সঠিক উত্তর: ক

২. তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কী বলে?

  • ক. প্রত্যয়
  • খ. প্রকৃতি
  • গ. মৌলিক শব্দ
  • ঘ. তদ্ধিতান্ত শব্দ
71 Views
No Comments
Forward Messenger
1
বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাক্যের রুপান্তর | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
ক্রিয়ার ভাব | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
সমাস | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাংলা শব্দ গঠন পদ্ধতি | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
পদ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাংলা বানানের নিয়ম | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
উচ্চারণ রীতি | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
No comments to “প্রকৃতি ও প্রত্যয় | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)”