তামিম আহমেদ
তামিম আহমেদ
24 Mar 2024 (3 weeks ago)
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)


Listen to this article

Contents

শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

শব্দের প্রয়োগ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে এই ধরণের ভুল হয়ে থাকে।

  • দরিদ্র – বিশেষণ
  • দারিদ্র্য / দরিদ্রতা- বিশেষ্য
  • ধীর – বিশেষণ
  • ধীরতা / ধৈর্য – বিশেষ্য

তাই, দারিদ্র্যতা / ধৈর্যতা শব্দগুলো ব্যবহার করা অপপ্রয়োগ হবে।

  • কনিষ্ঠ – সবচেয়ে ছোট
  • লঘিষ্ঠ – সবচেয়ে লঘু
  • গরিষ্ঠ – সবচেয়ে বড়
  • শ্রেষ্ঠ – সবার সেরা

তাই, সর্বকনিষ্ঠ, সর্বশ্রেষ্ঠ, লঘিষ্ঠতর, গরিষ্ঠতম এগুলো ব্যবহার অপপ্রয়োগ।

বিশেষ্যের সাথে ইত, ইয় প্রত্যয়, এবং বিভিন্ন উপসর্গ যুক্ত করে নতুন বিশেষণ গঠন করা যায়। যেমন, চিত্র+ইত= চিত্রিত, স+চিত্র= সচিত্র। কিন্তু বিশেষণের সাথে এসব উপসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত করা অপপ্রয়োগ।

  1. আকুলিত – অশুদ্ধ
  2. আকুল – শুদ্ধ
  1. সলজ্জিত – অশুদ্ধ
  2. সলজ্জ – শুদ্ধ
  1. ব্যাকুলিত – অশুদ্ধ
  2. ব্যাকুল – শুদ্ধ

বাহুল্য দোষঃ

সু+আগত = স্বাগত, তাই সুস্বাগত = সু+সু+আগত। সুস্বাগত অপপ্রয়োগ অশ্রু অর্থ চোখের জল, তাই অশ্রুজল অশুদ্ধ। কেবল/শুধু অর্থ মাত্র। তাই কেবলমাত্র, শুধুমাত্র অশুদ্ধ। সময় অর্থ কাল। তাই সময়কাল অশুদ্ধ।

দৃষ্টিশক্তি অর্থ চোখের/দর্শনের ক্ষমতা। তাই চোখের দৃষ্টিশক্তি অশুদ্ধ।

শব্দের পূর্বে “স” উপসর্গ যোগ করে সহ/সঙ্গে বোঝায়। যেমনঃ

  • সস্ত্রীক = স্ত্রী সহ
  • সপরিবারে = পরিবার সহ

স্ব অর্থ নিজের।

  • তাই স্বপরিবারে, স্বস্ত্রীক এগুলো অশুদ্ধ।

বচনের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

একই বাক্যে একাধিক বহুবচনগত শব্দ/বিভক্তি ব্যবহার সমীচীন নয়।

  1. অশুদ্ধ – সব গ্রামগুলোতে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে।
  2. শুদ্ধ – সব গ্রামে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে। / গ্রামগুলোতে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে।
  1. অশুদ্ধ – সকল শিক্ষকবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
  2. শুদ্ধ – সকল শিক্ষক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। / শিক্ষকবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

একবচন বিশেষ্যের সর্বনাম একবচন ও বহুবচন বিশেষ্যের সর্বনাম বহুবচন হতে হবে।

  1. অশুদ্ধ – যেসব ছেলেরা স্কুল ফাঁকি দিয়েছে, সে বখাটে।
  2. শুদ্ধ যেসব ছেলেরা স্কুল ফাঁকি দিয়েছে, তারা বখাটে। / যে ছেলেটি স্কুল ফাঁকি দিয়েছে, সে বখাটে।
  1. অশুদ্ধ – কিছু কিছু মানুষ আছে যে অন্যের ভালো দেখতে পারে না।
  2. শুদ্ধবাক্য: কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না।

টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি দ্বারা একবচন বোঝায়।

  1. অশুদ্ধ – আমার অনেকগুলো কলমটি হারিয়ে গেছে।
  2. শুদ্ধ – আমার অনেকগুলো কলম হারিয়ে গেছে। / আমার কলমটি হারিয়ে গেছে।

‘টা/টি/খানা/খানি’ ব্যবহার করে শব্দকে নির্দিষ্ট করলে তার আগে ‘এই’ বা ‘ঐ’ ব্যবহার করে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়।

  1. অশুদ্ধ – আমি এই মানুষটিকে চিনি।
  2. শুদ্ধ – আমি এই মানুষকে চিনি। / আমি মানুষটিকে চিনি।

উপসর্গের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত উপসর্গের পর ধাতুর দন্ত্য-স এর স্থলে মূর্ধন্য-ষ হয়।

  • অভি+সঙ্গ = অভিসঙ্গ (অশুদ্ধ), অভিষঙ্গ (শুদ্ধ)
  • নি+সিদ্ধ = নিসিদ্ধ (অশুদ্ধ), নিষিদ্ধ (শুদ্ধ)

অতিরিক্ত উপসর্গ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়।

  1. অশুদ্ধ – অক্লান্তিহীনভাবে সকলে চত্বরে জমায়েত হচ্ছে।
  2. শুদ্ধ – ক্লান্তিহীনভাবে সকলে চত্বরে জমায়েত হচ্ছে।

শব্দের শেষে ত্ব/তা প্রত্যয় যুক্ত হলে এর পূর্ববর্তী ঈ-কার, ই-কারে পরিণত হয়।

  • প্রতিযোগী+তা = প্রতিযোগিতা
  • বিরোধী+তা = বিরোধিতা

বাংলা ভাষায় শব্দের শেষে সর্বদা (পূর্বে যেগুলো সংস্কৃতে প্রচলিত ছিল) স্ত্রীবাচক অর্থে ঈ- কার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না।

  • ভয়ঙ্কর (শুদ্ধ), ভয়ঙ্করী (অশুদ্ধ)
  • চাঁদমুখ (শুদ্ধ), চাঁদমুখী (অশুদ্ধ)

অপ্রয়োজনে শব্দের শেষে নারীবাচক ঈ, নি, ইনি, ইনী প্রত্যয় যোগ করলে অশুদ্ধ হয়।

  • নির্বাচন (শুদ্ধ), নির্বাচনি (অশুদ্ধ) সংশোধন (শুদ্ধ), সংশোধনী (অশুদ্ধ) পুনর্মিলন (শুদ্ধ), পুনর্মিলনী (অশুদ্ধ)

একই শব্দে একাধিক নারীবাচক প্রত্যয় যোগ করা সমীচীন নয়।

  • অভাগা+ঈ = অভাগী (শুদ্ধ) + ইনী = অভাগিনী (অশুদ্ধ)
  • সুকেশ + আ = সুকেশা (শুদ্ধ) + ইনী = সুকেশিনী (অশুদ্ধ) চাতক + ঈ = চাতকী (শুদ্ধ)+ ইনী = চাতকিনী (অশুদ্ধ)

কারকের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

কারকের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটে যেতে পারে।

বস্তুর প্রাণিবাচক শব্দে বা ব্যক্তির নামের সঙ্গে ‘কে’ বসে না।

  1. অশুদ্ধ – সাপুড়ে সাপকে খেলায়।
  2. শুদ্ধ – সাপুড়ে সাপ খেলায়।

বহুবচনজাতীয় শব্দে ‘কে’ বসে না।

  1. অশুদ্ধ – ভিক্ষুকদেরকে ভিক্ষা দাও।
  2. শুদ্ধ – ভিক্ষুকদের ভিক্ষা দাও।

এক শব্দে দুটি বিভক্তি বসলে শব্দের গুণ হারায়।

  1. অশুদ্ধ – চোখেতে ভীষণ যন্ত্রণা।
  2. শুদ্ধ – চোখে ভীষণ যন্ত্রণা।

বিভক্তির অভাবে অপপ্রয়োগ ঘটে থাকে।

  1. অশুদ্ধ – তাহার কথা বিশ্বাস নেই।
  2. শুদ্ধ – তাহার কথায় বিশ্বাস নেই।
  1. অশুদ্ধ – রাত আকাশে অনেক তারা।
  2. শুদ্ধ – রাতের আকাশে অনেক তারা।

সমোচ্চারিত শব্দের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

সমোচ্চারিত শব্দের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়।

  1. অশুদ্ধ – ঘরে ফিরে পরিষ্কার কাপর পড়ে পরতে বসো।
  2. শুদ্ধ – ঘরে ফিরে পরিষ্কার কাপড় পরে পড়তে বসো।
  1. অশুদ্ধ – লোকটি প্রতিদিন দিনের দাওয়াত দিতে বেরোয়।
  2. শুদ্ধ – লোকটি প্রতিদিন দ্বীনের দাওয়াত দিতে বেরোয়।
  1. অশুদ্ধ – ঘোরায় চড়ে ঘোড়া আমার বড় প্রিয়।
  2. শুদ্ধ – ঘোড়ায় চড়ে ঘোরা আমার বড় প্রিয়।
  1. অশুদ্ধ – তিনের বাক্সে টিনটি পয়সা।
  2. শুদ্ধ – টিনের বাক্সে তিনটি পয়সা।

শব্দদ্বিত্বের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

শব্দদ্বিত্বের ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগ ঘটানো হয়।

সমার্থক শব্দের বাহুল্য থাকলে অপপ্রয়োগ ঘটে।

  1. অশুদ্ধ – তার কানের শ্রবণশক্তি কম।
  2. শুদ্ধ- তার শ্রবণশক্তি কম।

ধ্বন্যাত্মক শব্দের ভুল প্রয়োগ করলে তা অশুদ্ধ হয়।

  1. অশুদ্ধ – ঝিরি ঝিরি ঢোল বাজছে।
  2. শুদ্ধ – ঝিরি ঝিরি বাতাস বইছে।

শব্দ জুটির ক্ষেত্রে পরিবর্তন করলে অশুদ্ধ হয়।

  1. অশুদ্ধ – এই বাড়ির রীতি-বিধান আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।
  2. শুদ্ধ – এই বাড়ির রীতি-নীতি আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। / এই বাড়ির বিধি-বিধান আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।
  1. অশুদ্ধ – ছোট-মেঝ সবার মতই গুরুত্বপূর্ণ।
  2. শুদ্ধ – ছোট-বড় সবার মতই গুরুত্বপূর্ণ।

বাক্য ও বাচ্যের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

বাক্যের বিভিন্ন প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় বাচ্য।

  1. অশুদ্ধ – শিকারি দ্বারা বাঘ হত্যা হয়েছে।
  2. শুদ্ধ – শিকারি দ্বারা বাঘ নিহত হয়েছে।
  1. অশুদ্ধ – আসামীকে জরিমানা করেছে।
  2. শুদ্ধ – আসামীকে জরিমানা করা হয়েছে।
  1. অশুদ্ধ – আপনার এ কাজে দেশের গৌরব লোপ হয়েছে।
  2. শুদ্ধ – আপনার এ কাজে দেশের গৌরব লুপ্ত হয়েছে।

বাগধারার মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

বাগধারায় বিভিন্ন শব্দ, নিজস্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই তাদের পরিবর্তন ঘটালে অর্থে অসঙ্গতি চলে আসে।

  1. অশুদ্ধ – এ বাড়ির মুখ তোলার দায়িত্ব এবার তোমার হাতে।
  2. শুদ্ধ – এ বাড়ির মুখ রক্ষার দায়িত্ব এবার তোমার হাতে।
  1. অশুদ্ধ – এই ব্যাপারে তোমার মাথা চুলকানোর প্রয়োজন নেই।
  2. শুদ্ধ – এই ব্যাপারে তোমার মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই।
  1. অশুদ্ধ – এখন পরিশ্রম কর, সারা জীবন মাথা বাঁকা করে চলবে।
  2. শুদ্ধ – এখন পরিশ্রম কর, সারা জীবন মাথা উঁচু করে চলবে।
  1. অশুদ্ধ – শেষ পর্যন্ত ডাক্তার রোগে ধরতে পেরেছেন।
  2. শুদ্ধ – শেষ পর্যন্ত ডাক্তার রোগ ধরতে পেরেছেন।

প্রবাদের মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

প্রবাদে বিভিন্ন শব্দ, নিজস্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই তাদের পরিবর্তন ঘটালে অর্থে অসঙ্গতি চলে আসে।

  1. অশুদ্ধ – অন্ধকারে পাটকেল ছুঁড়ে লাভ নেই।
  2. শুদ্ধ – অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ে লাভ নেই।
  1. অশুদ্ধ – হঠাৎ অনেক টাকা পেয়ে তার তো আঙুল ফুলে বটগাছ হয়ে গেছে।
  2. শুদ্ধ – হঠাৎ অনেক টাকা পেয়ে তার তো আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে।
  1. অশুদ্ধ – গরিবের হাতিরোগ ভালো নয়।
  2. শুদ্ধ – গরিবের ঘোড়ারোগ ভালো নয়।
  1. অশুদ্ধ – কাছের বন্ধু একটিও নয়, সব শরবতের মাছি।
  2. শুদ্ধ – কাছের বন্ধু একটিও নয়, সব দুধের মাছি।

যতির মাধ্যমে ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ

যতিচিহ্নের ব্যবহারে হেরফের করলে, শব্দের অর্থ ও উদ্দেশ্য পরিবর্তন হয়ে যায় এবং অপপ্রয়োগ ঘটতে পারে।

জিজ্ঞাসা অর্থেঃ-

  1. অশুদ্ধ – তুমি কাল এসো।
  2. শুদ্ধ – তুমি কাল এসো?
  1. অশুদ্ধ – বাগানের ফুল ছিঁড়ো, না ছিঁড়লে সৌন্দর্য নষ্ট হবে।
  2. শুদ্ধ – বাগানের ফুল ছিঁড়ো না, ছিঁড়লে সৌন্দর্য নষ্ট হবে।
  1. অশুদ্ধ – শিক্ষক বলেছেন তুমি আমার সাথে দেখা করবে।
  2. শুদ্ধ – শিক্ষক বলেছেন, “তুমি আমার সাথে দেখা করবে।”
  1. অশুদ্ধ – মাটি পানি ও বায়ু এইতো আমাদের পরিবেশ।
  2. শুদ্ধ – মাটি, পানি ও বায়ু- এইতো আমাদের পরিবেশ।

বাক্যে সর্বনাম, যোজক, ক্রিয়াপদ ও ক্রিয়াকালের সংগতিপূর্ণ প্রয়োগ

বাক্যে সর্বনাম, যোজক, ক্রিয়াপদ ও ক্রিয়াকালের সংগতিপূর্ণ প্রয়োগ না ঘটলে অর্থবিকৃতি হতে পারে।

বাক্যে সর্বনামের সংগতিপূর্ণ প্রয়োগ

  1. অশুদ্ধ – আমি, তুমি ও সে বেড়াতে যাবে।
  2. শুদ্ধ – আমি, তুমি ও সে বেড়াতে যাব।
  1. অশুদ্ধ – ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বাংলা ভাষার ইতিহাসে সে এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব।
  2. শুদ্ধ – ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বাংলা ভাষার ইতিহাসে তিনি এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব।
  1. অশুদ্ধ – তুমি চলে যাও, আপনাকে দিয়ে কাজ হবে না।
  2. শুদ্ধ- তুমি চলে যাও, তোমাকে দিয়ে কাজ হবে না। / আপনি চলে যান, আপনাকে দিয়ে কাজ হবে না।

বাক্যে যোজকের সংগতিপূর্ণ প্রয়োগ

  1. অশুদ্ধ – নীপা অথবা দীপা দুই বোন।
  2. শুদ্ধ – নীপা এবং দীপা দুই বোন।
  1. অশুদ্ধ – আকাশ এতো মেঘলা হলো, এবং বৃষ্টি হলো না।
  2. শুদ্ধ – আকাশ এতো মেঘলা হলো, অথচ/কিন্তু/তবুও বৃষ্টি হলো না।
  1. অশুদ্ধ – যত গর্জে তবে বর্ষে না।
  2. শুদ্ধ- যত গর্জে তত বর্ষে না।

বাক্যে ক্রিয়াপদ ও ক্রিয়াকালের সংগতিপূর্ণ প্রয়োগ

  1. অশুদ্ধ – তুমি গতকাল আসবে।
  2. শুদ্ধ – তুমি গতকাল এসেছিলে।
  1. অশুদ্ধ – প্রার্থনা করি দ্রুত আরোগ্য লাভ করতেন।
  2. শুদ্ধ – প্রার্থনা করি দ্রুত আরোগ্য লাভ করুন।
  1. অশুদ্ধ – আজ সকাল থেকেই বৃষ্টি হয়।
  2. শুদ্ধ- আজ সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে।

গুরুচণ্ডালী দোষজনিত ভুল

বাক্যে সাধু ও চলিত উভয় ভাষার মিশ্রণ ঘটলে সেই বাক্য গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয়।

  1. অশুদ্ধ – আমাকে যেতে হইবে।
  2. শুদ্ধ – আমাকে যাইতে হইবে। / আমাকে যেতে হবে।
  1. অশুদ্ধ – তাহার সাথে আমি কিছু কথা বলতে চাই।
  2. শুদ্ধ – তাহার সাথে আমি কিছু কথা বলিতে চাই।/ তার সাথে আমি কিছু কথা বলতে চাই।
  1. অশুদ্ধ – লোকটি বটবৃক্ষের তলায় দাঁড়িয়ে আছে।
  2. শুদ্ধ- লোকটি বটগাছের তলে দাঁড়িয়ে আছে। / লোকটা বটবৃক্ষের তলায় দাঁড়াইয়া আছে।
77 Views
No Comments
Forward Messenger
1
বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাক্যের রুপান্তর | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
ক্রিয়ার ভাব | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
সমাস | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
প্রকৃতি ও প্রত্যয় | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাংলা শব্দ গঠন পদ্ধতি | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
পদ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
বাংলা বানানের নিয়ম | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
উচ্চারণ রীতি | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)
-
- -
No comments to “বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ | বাংলা ২য় পত্র ব্যাকরণ | একাদশ-দ্বাদশ | এইচএসসি (HSC)”